Search This Blog

Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

Blog Archive

Sunday, November 13, 2016

একটি কবিতা

পৃথিবী প্রবীণ আরো হয়ে যায় মিরুজিন নদীটির তীরে;


বিবর্ণ প্রাসাদ তার ছায়া ফেলে জলে।


ও প্রাসাদে কারা থাকে? -- কেউ নেই -- সোনালি আগুন চুপে জলের শরীরে


নড়িতেছে -- জ্বলিতেছে -- মায়াবীর মতো জাদুবলে।


সে আগুন জ্বলে যায় -- দহেনাকো কিছু।


সে আগুন জ্বলে যায়


সে আগুন জ্বলে যায়


সে আগুন জ্বলে যায় -- দহে নাকো কিছু।


নিমীল আগুনে অই আমার হৃদয়


মৃত এক সারসের মতো।


পৃথিবীর রাজহাঁস নয় --


নিবিড় নক্ষত্র থেকে যেন সমাগত


সন্ধ্যার নদীর জলে একভিড় হাঁস অই -- একা;


এখানে পেল না কিছু; করুণ পাখায়


তাই তারা চলে যায় শাদা, নিঃসহায়।


মূল সারসের সাথে হল মুখ দেখা।



রাত্রির সংকেতে নদী যতদূর ভেসে যায় -- আপনার অভিজ্ঞান নিয়ে


আমারো নৌকার বাতি জ্বলে;


মনে হয় এইখানে লোকশ্রুত আমলকী পেয়ে গেছি


আমার নিবিষ্ট করতলে,


সব কেরোসিন-অগ্নি মরে গেছে; জলের ভিতরে আভা দ'হে যায়


মায়াবীর মতো জাদুবলে।


পৃথিবীর সৈনিকেরা ঘুমায়েছে বিম্বিসার রাজার ইঙ্গিতে


ঢের দূর ভূমিকার পর;


সত্য সারাৎসার মূর্তি সোনার বৃষের 'পরে ছুটে সারাদিন


হয়ে গেছে এখন পাথর;


যে সব যাবারা সিংহীগর্ভ জ'ন্মে পেয়েছিলো কৌটিল্যের সংযম


তারাও মরেছে -- আপামর।


যেন সব নিশিডাকে চলে গেছে নগরীতে শূন্য করে দিয়ে --


সব ক্কাথ বাথরুমে ফেলে;


গভীর নিসর্গ সাড়া দিয়ে শ্রুতি বিস্মৃতির নিস্তব্ধতা ভেঙে দিতো তবু


একটি মানুষ কাছে পেলে;


যে-মুকুর পারদের ব্যবহার জানে শুধু, যে দীপ প্যারাফিন,


বাটা মাছ ভাজে যেই তেলে,


সম্রাটের সৈনিকেরা যে-সব লাবণি লবণরাশি খাবে জেগে উঠে,


অমায়িক কুটুম্বিনী জানে --


তবুও মানুষ তার বিছানায় মাঝরাতে নৃমুণ্ডেরহেঁইয়ালিকে


আঘাত করিবে কোন্‌খানে?


হয়তো নিসর্গ এসে একদিন বলে দেবে কোনো এক সম্রাজ্ঞীকে


জলের ভিতর এই অগ্নির মানে।

No comments:
Write comments

Interested for our works and services?
Get more of our update !